1. clients@www.dainikbangladesh71sangbad.com : DainikBangladesh71Sangbad :
  2. frilixgroup@gmail.com : Frilix Group : Frilix Group
  3. kaziaslam1990@gmail.com : Kazi Aslam : Kazi Aslam
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জরুরী নিয়োগ চলছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ দেশের প্রতিটি বিভাগীয় প্রতিনিধি, জেলা,উপজেলা, স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, ক্যাম্পাস ও বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি বা সাংবাদিক নিয়োগ চলছে। সাংবাদিকতা সবার স্বপ্ন, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে আপনাদেরকে সুযোগ করে দিচ্ছে দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ দেখিয়ে দিন সাহসীকতার পরিচয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। আপনার আশপাশের ঘটনা তুলে দরুন সবার সামনে।হয়ে উঠুন আপনিও সৎ, সাহসী সাংবাদিক। দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ পোর্টাল নিয়োগ এর নিদের্শনাবলী: ১/জীবন বৃত্তান্ত ( cv) ২/জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি। ৩/সদ্যতোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১কপি। ৪/সর্বনিম্ন এইচএসসি পাস/সমমান পাস হতে হবে। ৫/বিভিন্ন নেশা মুক্ত হতে হবে। ৬/নতুনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ৭/স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। ৮/স্মার্টফোন ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে। ৯/দ্রুত মোবাইলে টাইপ করার দক্ষতা থাকতে হবে। ১০/বিভিন্ন স্থানে ভ্রমন এর মানসিকতা থাকতে হবে। ১১/সৎ ও পরিশ্রমী হতে হবে। ১২/অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। ১৩/নারী-পুরুষ আবেদন করতে পারবেন। ১৪/রক্তের গ্রুপ যুক্ত করবেন। ১৫/স্থানীয় দের সাথে পরিচয় লাভ করতে হবে। ১৬/উপস্থিত বুদ্ধি, সঠিক বাংলা বানান, ও শুদ্ধ বাংলায় পারদর্শী হতে হবে। ১৭/ পরিশ্রমী হতে হবে যোগাযোগের জন্য ইনবক্সে মেসেজ করুন cv abuyousufm52@gmail.com দৈনিক বাংলাদেশ ৭১সংবাদ মোবাইল নং(01715038718)

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা ঢাকা-১৯ আসনে।

Reporter Name
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

আওরঙ্গজেব কামাল : ঢাকা-১৯ হলো বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঢাকা জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৯২নং আসন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য ঢাকা-১৯ সাভার-আশুলিয়া আসন থেকে বিভিন্ন দলের ১২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাজহারুল ইসলা।
এ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে এবার এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার এনামুর রহমানের অর্থাৎ নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ ও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। নৌকা প্রতীকে সাথে আরো লড়বেন অনন্য দলের প্রার্থীরা। এ ক্ষেত্রে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল। খোঁজ নিয়ে জানাযায়, সাবেক এমপি আওয়ামী লীগ নেতা তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ দীর্ঘদিন নীরবে-নিভৃত্তে থাকলেও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনায় সরব হয়ে উঠেছেন। তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন থেকে বিতারিত হয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর সাভারে তাঁর কোন কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি। দল ক্ষমতায় থাকলেও মুরাদ জং অনুগত নেতাকর্মী, সমর্থকরাও ছিলো চরমভাবে কোনঠাসা। সাভারে কোথাও তাদের কার্যক্রম তেমন চোখে পড়েনি। বলা চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেও তারা ছিলেন বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের মতো নিভৃতচারী, ছিলেন ক্ষমতার রাজনীতির কাছে উপেক্ষিত। চলতি বছরের শুরু থেকেই মুরাদ জং সমর্থিত নেতাকর্মী, সমর্থকরা অনেকটাই উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,কর্মী-সমর্থকরা আশায় ছিলেন। তারা বলছেন নির্বাচন করতে। যেহেতু নির্বাচন করলে দলের কোনো বাধা নেই, তাই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে দেশের সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট পেয়ে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম। এরপরও ২০১৪ সালে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। মনোনয়ন না পেলেও আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাইনি। টানা ১০ বছর আমি নীরব ছিলাম। এবার আমি মনোনয়ন চেয়েছিলাম এবং আমার প্রত্যাশা ছিল আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তাই ভাবলাম জনপ্রিয়তার একটা পরীক্ষা হওয়া দরকার। এ জন্যই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছি। এছাড়া সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সাভারের ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ ত্যাগ করেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন,যেহেতু নির্বাচন করতে দলের কোনো বাধা নেই; নেত্রী বলে দিয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করা যাবে। তাই নির্বাচন করব।এদিকে দলের একাধিক সূত্রে জানা গেছে,গেলো কিছুদিন পূর্বে শ্রমিক অসন্তোষ, ও বিএনপি’র হরতালসহ জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন প্রতিরোধে চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ও তার দলের সাধারণ জনগণকে নিয়ে আনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি থেকে জনগণের জানমান রক্ষায় অনেক ভূমিকা রেখেছে তাই দলের উচ্চপর্যায়ের একটি অংশের ইঙ্গিত পেয়েই তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এ কারণেই চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন। তবে শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘তৃণমূলের ইচ্ছা ও জনপ্রিয়তার বিবেচনায় আমি দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলাম। মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছি। এতে দলীয় প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোনো আপত্তি নেই। অবাদ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের জন্যই তিনি এ সুযোগ দিয়েছেন। এদিকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী ডা. এনাম দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার তিনি খুব খুশি । তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,আমি আশাকরি সাভার আশুলিয়ার মানুষ আমাকে ভালো বাসে। আমার ব্যবহারে সন্তষ্ঠ হয়ে আমাকে প্রতিমন্ত্রী বানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশের মানুষের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশের ওয়াদা করেছিলেন। তিনি তার ওয়াদা পালন করেছেন। তার কল্যাণে বাংলাদেশ ডিজিটালাইজড হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের আহ্বান জানিয়েছেন। সেজন্য আমি মনে করি, এবারের নির্বাচনটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে আমি রাজনৈতিক অঙ্গনে এসেছি। তার দেওয়া দায়িত্ব মাথা পেতে নিয়েছি। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য সবার সহযোগিতা চাই। সব ধরনের বিদ্বেষ, হিংসা ভুলে গিয়ে শুধু সাভার এবং দেশবাসীর উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য কাজ করে যেতে চাই। আমার কাছে সবাই সমান, এজন্য দলমতনির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চাই। আমাকে আর একবার সুযোগ দিলে আমি আমার অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করবো। একাধিক সুত্র থেকে জানাযায়, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে ভোটের প্রচারণা। শীতের সকাল উষ্ণ হতে শুরু করেছে ভোটের হাওয়ায়। তবে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. এনাম। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি ও তার সমর্থকরা বর্ধিত সভা ও উঠান বৈঠকর মাধ্যমে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে আসছেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‌‌‘গত নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি এমপি হয়ে দল ও এলাকার উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কাজ করেছি।এবারও জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে নৌকা প্রতীকে আমাকে ভোট দিবে বলে আমার বিশ্বাস। আসনটির বর্তমান সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. এনামুর রহমান বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকেট পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত হন। তিনি সাভারে প্রতিষ্ঠিত এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান। পেশায় চিকিৎসক ডা. এনামের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় না থাকলেও ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধ্বসে আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় দেশ বিদেশে আলোচিত হয়েছিলেন। তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে সংসদ নির্বাচনের টিকেট দিলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে (সাভার-আশুলিয়া) সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৯০ হাজার ৪২৭ ভোটে জয়লাভ করে রেকর্ড গড়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. এনামুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ডা. দেওয়ান মো. সালাহউদ্দিন বাবু পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার সঙ্গে জয়ের ব্যবধান ৪ লাখ ২০ হাজার ৮৬১ ভোট। এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনে থেকেই সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদ। এর মধ্য দিয়ে ডা. এনামুর রহমান আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে নতুন করে সারা দেশে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন।
এছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মনোনয়নপত্র জমাদানকারীরা হলেন, তৃণমূল বিএনপির মাহাবুবুল হাসান, জাতীয় পার্টির মোঃ বাহাদুর ইসলাম ও মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোঃ ইসরাফিল হোসেন সাভারী, গণফ্রন্টে নূরুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোঃ জুলহাস, জাকের পার্টির মোঃ শামসুদ্দিন আহম্মেদ, বি.এন. এম -এর মোঃ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আইরীন পারভিনপ্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়ন আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৭ জানুয়ারি।এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬৩ জন ও মহিলা ভোটার ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯৪৭ জন।
আওরঙ্গজেব কামাল
লেখক ও গবেষক

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2020 DainikBangladesh71Sangbad
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )